বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর এক বছরে ২৫+ নির্মম হত্যা, কবে শেষ হবে ভয়ের রাজত্ব?
| (ছবি-AI) |
নিজস্ব প্রতিবেদক,
গত এক বছরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলায় ২৫ জনেরও বেশি নিহত। নাম না জানা আরও লাশ উদ্ধার হয়েছে। এসব ঘটনা সংখ্যালঘুদের মনে ভয়ের ছায়া ফেলেছে—কবে তারা নিরাপদে বাঁচতে পারবে?
২০২৫-এর জুলাই থেকে শুরু হয় এই চক্র। ৯ জুলাই ঢাকায় লাল চাঁদ সোহাগ। ২ ডিসেম্বর প্রান্তোষ কর্মকার এবং উৎপল সরকার। ৭ ডিসেম্বর যোগেশ চন্দ্র রায় এবং সুবর্ণা রায়। ১২ ডিসেম্বর শান্ত চন্দ্র দাস। ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাস। ২৯ ডিসেম্বর বাজেন্দ্র বিশ্বাস।
২০২৬-এর জানুয়ারিতে তীব্রতা বাড়ে। ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৩ জানুয়ারি খোকন চন্দ্র দাস। ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ পিরোজপুরে অমৃত মণ্ডল। ৫-৬ জানুয়ারি যশোরে রানা প্রতাপ বৈরাগী। ৫-৬ জানুয়ারি নরসিংদীতে মনি চক্রবর্তী বা শরৎ মনি চক্রবর্তী। ১০ জানুয়ারি জয় মহাপাত্র। ১১ জানুয়ারি সমীর দাস (ফেনী) এবং প্রলয় চাকী। জানুয়ারি নওগাঁয় মিঠুন সরকার। ২৫ জানুয়ারি নরসিংদী সদরে চঞ্চল ভৌমিক।
পরে মার্চে কক্সবাজারে গণেশ পাল। ১৯-২২ এপ্রিল কক্সবাজারে নয়ন দাস (সাধু)। ২০২৬-এ ময়মনসিংহে সুশেন চন্দ্র সরকার। বুলেট বৈরাগী।
সংখ্যালঘু নেতারা বলছেন, এসব হামলা অব্যাহত। মানবাধিকার সংস্থাগুলো তদন্তের দাবি জানিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে #SaveHindusBD ট্রেন্ড করছে। সরকার গ্রেপ্তারের কথা বললেও ভয় কমছে না। হাজারো পরিবার বাস্তুহারা, অনেকে দেশ ছেড়েছে। কবে শেষ হবে এই ভয়ের রাজত্ব?
(তথ্যসূত্র: স্থানীয় গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং সংখ্যালঘু সংগঠন।)



.png)

%20.png)

No comments: